সারাদেশে ৩ থেকে ৫ মাসব্যাপী ফ্রিল্যান্সিং কোর্স প্রশিক্ষণ, বৃত্তি+চাকরির সুযোগ।  মাত্র ১২,০০ থেকে ১৮,০০ টাকায় পাচ্ছেন ১২,০০০ থেকে ১৮,০০০ টাকার প্রতিটি কোর্স কুপনকোড: pro-offer  কিভাবে রেজিস্ট্রেশন করবেন দেখুন এখানে    আরো বিস্তারিত এখানে

অ্যান্ডয়েড এ্যাপ ডেভলপমেন্টের পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন

অ্যান্ড্রয়েড এ্যাপ কি?

অ্যাপ কথাটির সাথে আজকাল আমরা সকলেই বিষদভাবে পরিচিত। অ্যাপ শব্দটি আসলে “অ্যাপ্লিকেশন” শব্দটির সংক্ষিপ্ত রুপ এবং অবশ্যই এটি এক ধরণের সফটওয়্যার যেটা আলাদা আলাদা প্ল্যাটফর্মে রান করতে পারে। তো বুঝলেন, অ্যাপ আর সফটওয়্যার একই জিনিষ, তবে আজকের মডার্ন টাইপের সফটওয়্যার বা কম্পিউটার প্রোগ্রাম গুলোকে অ্যাপ বলা হয়। এটি অনেক টাইপের হতে পারে, হতে পারে মোবাইলে রান করছে, কম্পিউটারে রান করছে, আবার যেকোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইজেও রান করতে পারে। কিছু অ্যাপ্লিকেশন ওয়েব ব্রাউজারেও রান করতে পারে, কিছু অ্যাপ্লিকেশন অফলাইন চলে পারে আবার কিছু অ্যাপ্লিকেশন অনলাইন চলতে পারে। তবে অ্যাপকে সাধারণত এক টাইপের লাইটওয়েট সফটওয়্যার বলে ধরা হয়, মানে এটিকে ফুল শক্তিশালী সফটওয়্যার বলে বিবেচনা করা হয় না। আর এই জন্যই অ্যাপ টার্মটি বিশেষ করে স্মার্টফোনের সাথে বা ওয়েবের সাথে শুনতে পাওয়া যায়, এবং কম্পিউটার টার্মের ক্ষেত্রে মানুষ সফটওয়্যার টার্মটি ব্যবহৃত করে।

কেন শিখবেন এ্যাপ ডেভলপমেন্ট?

গত কয়েক বছর ধরে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট খুব জনপ্রিয়। প্রধান কারণ হচ্ছে ডিভাইসের সহজলভ্যতা। মোটামুটি সবাই একটি এন্ড্রয়েড ডিভাইস ক্রয় করার ক্ষমতা রাখে। আমরা যদি এন্ড্রয়েডের গ্লোবাল মার্কেট শেয়ার দেখি, তাহলে দেখতে পাবো ৮০-৮৫ % এর মধ্যে এন্ড্রয়েডের মার্কেট শেয়ার উঠা নামা করে। যেখানে iOS এর মার্কেট শেয়ার মাত্র 13% এর মত। যেখানে ব্যবহারকারী বেশি, সেখানে সুযোগ বেশি। এ জন্য কেউ যদি এন্ড্রয়েড ডেভেলপার হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে চায়, তাহলে তার জন্য বর্তমানে অনেক সুযোগ রয়েছে। জব সেক্টরে অনেক জব খালি পড়ে রয়েছে। জব করতে না চাইলে নিজের কোন আইডিয়া নিয়ে যদি কাজ করতে চায়, তাহলেও তার জন্য অনেক গুলো সুযোগ রয়েছে এই এন্ড্রয়েড মার্কেটে। আগে সাধারণত একটা সফটওয়ার তৈরি করতে হতো। তারপর মার্কেটিং এ অনেক অনেক বেশি ইনভেস্ট করতে হতো। এখন আমাদের জন্য মার্কেট তৈরি রয়েছে। প্লে স্টোর। দরকার সুন্দর একটি অ্যাপ। সুন্দর একটি অ্যাপ তৈরি করলে গুগল নিজেই প্রোমোট করে। অ্যাপ তৈরি করে এক রাতে মিলিওনিয়ার হওয়ার অনেক গল্প রয়েছে। সত্যি সত্যি গল্প। কিভাবে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট শেখা যায়, তা নিয়ে বলি। কারো যদি অ্যাপ ডেভেলমেন্ট ভালো লাগে, সে যদি ভালো একটা আইডিয়া নিয়ে কাজ করে, তাহলে ভালো কিছু হবেই হবে। আজ না হোক কাল হবে। অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ সাধারণত দুই ভাবে তৈরি করা যায়। ন্যাটিভ উপায় এবং হাইব্রিড উপায়। হাইব্রিড বেশির ভাগ ফ্রেমওয়ার্কই জাভাস্ক্রিপ্ট এর উপর তৈরি। মজার ব্যপার হচ্ছে হাইব্রিড এসব ফ্রেমওয়ার্ক গুলো একটা দারুণ সুবিধে দেয়। অ্যান্ড্রয়েডের জন্য ডেভেলপ করলে তা একই সাথে আইফোন বা উইন্ডোজ ফোনেও চালানো যায়। যার মধ্যে জনপ্রিয় হচ্ছে Cordova. এছাড়া এখন দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে React Native. যা ফেসবুক ডেভেলপ করেছে। এটির বৈশিষ্ঠ হচ্ছে এখানে জাভাস্ক্রিপ্ট এ কোড লিখতে হয়। এরপর কোড গুলো ন্যাটিভে কনভার্ট করে দেয়। দারুণ না? এগুলো ছাড়াও আরো অনেক গুলো উপায় অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ তৈরি করা যায়। কেউ যদি C বা C++ এ অনেক ভালো হয়ে থাকে, তাহলে সে C++ ব্যবহার করেও দারুণ সব অ্যাপ তৈরি করতে পারবে। আর একটা পদ্ধতি শিখলে তা ভবিষ্যৎ এ ও কাজে লাগবে। নতুন কিছু শেখা সহজ হয়ে যাবে। একটা ভালো করে শিখলেই সুন্দর একটা ক্যারিয়ার হাতছানি দিয়ে ডাকবে।

অ্যাপ তৈরির প্রাথমিক পর্যায়:

আমরা অনেকেই কিভাবে অ্যাপ ডেভেলপ করতে হয়, তা জানি। কিন্তু কি ডেভেলপ করতে হবে তা জানি না। এ জন্য হয়তো অনেকেই একজন ডেভেলপার হিসেবে জব করি। জব করা অবশ্যই ভালো কিছু। আমাদের এ পৃথিবীতে অনেক অনেক সুযোগ রয়েছে। জব করা ছাড়াও সুযোগের সৎ ব্যবহার করে দারুণ কিছু করা যায়। দরকার হয় ডেভেলপমেন্ট স্কিলের পাশা পাশি বাড়তি কিছু দক্ষতা। যা ডেভেলপমেন্ট শেখা অনেক সহজ। যেমন সুন্দর একটা অ্যাপ তৈরি করার জন্য সুন্দর একটা আইডিয়া লাগে। তার জন্যা আইডিয়া খুঁজতে হয়। আইডিয়া কিন্তু না খুঁজলে পাওয়া যাবে না। ফেসবুক হোক গুগল হোক বা হোক অ্যামাজন বা টেসলা। এগুলো সব কিছুই এক একটা ভালো আইডিয়া। একটা আইডিয়া থেকেই এত বড় কিছু। আইডিয়ার জন্য যে কোন সমস্যা দেখলেই ভাবতে হবে, এটাকে কিভাবে সমাধান করা যায়। তা ক্লাসে পড়ার সময় হতে পারে। বাসে এখানে সেখানে যাওয়ার সময় হতে পারে। বাথরুমে বসে হতে পারে (আইডিয়া জেনারেট করার জন্য চমৎকার যায়গা!)। আমাদের মস্তিষ্কটা খুব খারাপ। দরকারি জিনিস গুলো মনে রাখে না। কিন্তু ঠিকই বেদরকারি সব কিছু মাথায় রেখে দেয়। কোন আইডিয়া মাথায় আসলে তা লিখে ফেলতে হবে। এরপর বন্ধুদের সাথে ঐ আইডিয়া নিয়ে আলোচনা করতে হবে। কিছু কিছু আইডিয়া হবে এমন, যা নিজের কাছেই ভালো মনে হবে, কিন্তু আসলে মানুষের কোন কাজে আসবে না। ঐ সব আইডিয়া গুলো বাদ দিতে হবে। এমন আইডিয়ার পেছনে সময় দিতে হবে, যেগুলো অনেক মানুষের কাজে আসবে। যেখানে মানুষ কম, সেখানে বিজনেসও কম। যেখানে  মানুষ বেশি, সেখানে বিজনেসও বেশি। কোন আইডিয়া নিয়ে কাজ করার সময় সবার আগে এই বিজনেসটা দেখতে হবে। এমন না যে বিজনেস বলতে টাকাই আসতে হবে। অনেক মানুষের যদি উপকারও হয়, তাহলে তাও একটা ভালো আইডিয়া।


 ফিচারলিস্টঃ

একটা আইডিয়া সিলেক্ট করার পর ঐ আইডিয়া নিয়ে বিস্তারিত ভাবতে হবে। তৈরি করতে হবে ফিচারলিস্ট। কি কি থাকবে, কেন থাকবে, কিভাবে থাকবে, এগুলোর ডকুমেন্টেশন তৈরি করতে হবে।


 ওয়ারফ্রেম:

আইডিয়া সিলেক্ট করার পর হচ্ছে ওয়ারফ্রেম তৈরি করা। কাগজে কলমে অ্যাপের ওয়ার্কফ্লো গুলো একে ফেলা। আর প্রোটোটাইফ তৈরি করতে হেল্প করবে ফিচার লিস্ট। ওয়ারফ্রেম কম্পিউটারেও করা যায়। রয়েছে অনেক ওয়ারফ্রেম সফটওয়ার। যেমন InVision, Wireframe.cc ইত্যাদি।


 ডিজাইনিংঃ

ওয়ারফ্রেম তৈরি করার পরবর্তী কাজ হচ্ছে ডিজাইন তৈরি করা। অ্যাপ বা প্রোডাক্টটা দেখতে কেমন হবে, তা ডিজাইন করা। এরপর ডেভেলপারের কাজ হচ্ছে এই ডিজাইনটিকে বাস্তবে পরিনত করা।


 প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজঃ

অ্যান্ড্রয়েড দিয়েই উদাহরণ দেই। অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ তৈরি করার অফিশিয়াল ল্যাঙ্গুয়েজ হচ্ছে এখন দুইটা। একটা হচ্ছে জাভা, আরেকটা হচ্ছে কটলিন। দুইটা দুই প্যারাডাইমের ল্যাঙ্গুয়েজ। জাভা হচ্ছে অবজেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং। কটলিন হচ্ছে ফাংশনাল প্রোগ্রামিং। ফাংশনাল প্রোগ্রামিং প্যারাডাইম এখন আস্তে আস্তে জনপ্রিয় হচ্ছে। তাই যারা নতুন কোন ল্যাঙ্গুয়েজ শিখব, তারা কটলিন শিখতে পারে। আর যারা অলরেডি জাভা জানি, তারা জাভা দিয়েই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ তৈরি করতে পারি।


 অফলাইন ফার্স্টঃ

অ্যাপটি তৈরি করার সময় মাথায় রাখতে হবে যেন অ্যাপটি অফলাইনেও কাজ করে। যত এন্ড্রয়েড অ্যাপ ডেভেলপার রয়েছে, তাদের মধ্যে বেশির ভাগ ইউজারই লিমিটেড ইন্টারনেট ব্যবহার করে। এই বিশাল সংখ্যার ব্যবহারকারীদের জন্য দরকার অফলাইন ফার্স্ট অ্যাপলিকেশন।

এটা আমরা করতে পারি ডেটাবেজ ব্যবহার করে। ইউজার যখন অনলাইন হবে, তখন ডেটা ক্যাশ করে রেখে দিয়ে। এরপর ইউজার যদি অফনালিনে কোন কিছু সাবমিট করে, অনলাইন হলে সেগুলো অনলাইনে সিঙ্ক্রোনাইজ করে নিতে হবে।

এটা ইমপ্লিমেন্ট করা তেমন বেশি কঠিন না। একটু চেষ্টা করলেই করা যাবে। ফেসবুক অ্যাপ এখন ওপেন করলে ইন্টারনেট ছাড়াও আপনি কিছু স্ট্যাটাস পড়তে পারবেন। এ ছাড়া লাইকও দিতে পারবেন। আবার অনেক গুলো অ্যাপ ওপেন করার সাথে সাথেই লেখা উঠে, no internet! ব্ল্যাঙ্ক অ্যাপ থেকে কিছু ডেটা দেখানো অনেক ভালো। নাই মামার চেয়ে কানা মামার মত আরকি!


 আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স ফার্স্টঃ

গুগলের আগের এজেন্ডা ছিল মোবাইল ফার্স্ট। এখনকার এজেন্ডা হচ্ছে আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স ফার্স্ট। আগামী দুই তিন বছরের মধ্যে সব গুলো অ্যাপেই আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স এর ব্যবহার হবে। আপনারা এখন থেকেই এগিয়ে থাকতে পারেন আপনাদের অ্যাপ আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স ইমপ্লিমেন্ট করে।

ব্যবহার করতে পারেন টেনসর ফ্লো। বা সহজে ব্যবহার করতে চাইলে ব্যবহার করতে পারেন গুগলের Google Cloud Vision API। যেখানে সব কিছুই করে দেওয়া আছে। আমরা শুধু API কল করে ব্যবহার করতে পারব। এছাড়া আরো অনেক AI প্লাটফর্ম রয়েছে যেমনঃ wit.ai, api.ai, Microsoft Azure ML ইত্যাদি।


  পাবলিশিংঃ

ডেভেলপ করা শেষ হলে অ্যাপ পাবলিশ করা সহজ। গুগল প্লে স্টোরে একাউন্ট খোলা, অ্যাপ সাবমিট করা। সাধারণত দুই ঘন্টার মধ্যেই অ্যাপ প্লে স্টোরে লাইভ হয়ে যায়।

পাবলিশ করার পর আরো কিছু কাজ করতে হয়। অ্যাপ তৈরি করার পর তো মানুষকে জানাতে হবে। সে জন্য একটু আধটু পাবলিসিটি করতে হয়। নিজের সোশাল নেটওয়ার্ক, কোন ব্লগ ইত্যাদি অ্যাপ সম্পর্কে লিখলে মানূষ অ্যাপটি সম্পর্কে জানতে পারবে। ইন্সটল করে ব্যবহার করবে।


 মানিটাইজেশনঃ

ভালো একটা অ্যাপ তৈরি করতে অনেক পরিশ্রম করতে হয়। ঐ পরিশ্রম বৃথা যাবে যদি না অ্যাপটিকে ভালো ভাবে মানিটাইজেশন না করা যায়। যদিও বাংলাদেশ থেকে আমাদের জন্য একটাই উপায় অ্যাপ থেকে টাকা আয় করার, আর তা হচ্ছে এড এর মাধ্যমে।

এ ছাড়া আমরা চাইলে অ্যাপের মধ্যে দিয়ে কোন কিছু সেল করতে পারি। বিকাশ বা এমন মোবাইল মানি ব্যবহার করে টাকা রিসিভ করতে পারি।

এরপর? একটু বসে রিলাক্স করা। কারণ আমাদের কষ্ট করে তৈরি করা অ্যাপ থেকে টাকা আসতে শুরু করবে।  এটা অনেকটা প্যাসিভ ইনকাম। একবার আয় শুরু হলে টাকা আসতে থাকবে। হয়তো মাঝে মধ্যে একটু কিছু আপডেট করতে হতে পারে ব্যবহারকারীদের ফিডব্যাক অনুযায়ী। এরপর হয়তো আমরা নতুন আরেকটা আইডিয়াতে সময় দিতে পারব।

ডেভেলপমেন্ট শেখা আসলে কঠিন। মানে অনেক কিছু জানতে হয়। লার্নিং কার্ভ ও অনেক বেশি। কিন্তু বাকি বিষয় গুলো জানা সহজ। লার্নিং কার্ভও কম। ডেভেলপমেন্টের পাশা পাশি আমরা অন্যান্য বিষয় গুলো জানলে আসলে নিজেই দারুণ কিছু করতে পারি। জব খুঁজতে হয় না। নিজের আইডিয়া ভালো হলে ইনশাহ আল্লাহ হয়তো নিজেই অনেক মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারব।

 


কোথা থেকে শিখবেন অ্যাপ ডেভলপমেন্ট?

বর্তমানে অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যারা অ্যাপ ডেভলপমেন্টের সাথে জড়িত কিন্তু প্রতিযোগিতার যুগে টিকে থাকার মতো খুব কম সংখ্যক প্রতিষ্ঠার রয়েছে যারা সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে সক্ষম। সেরকম একটি প্রতিষ্ঠান হলো ইশিখন। ইশিখনে দক্ষ, প্রফেশনাল কিছু ডেভলপার রয়েছে যারা দীর্ঘদিন বিভিন্ন কোম্পানি ও মার্কেটপ্লেসে সফলভাবে কাজ করে আসছে। ইশিখনে কোর্স করলে তারা হবে আপনার শিক্ষক। ইশিখনে অ্যাপ ডেভলপমেন্ট কোর্সটি করলে আপনি অন্যান্য যেসকল সুবিধাসমূহ পাচ্ছেন:

লাইভ ক্লাস মিস করলে পরের দিন কোর্সের ভেতর উক্ত ক্লাসের ভিডিও রেকর্ডিং ও আলোচিত ফাইল সমুহ পাবেন।
লাইভ ক্লাসের সম্পূর্ণ ফ্রি ভিডিও কোর্স, ( শুধুমাত্র এই ভিডিও কোর্সই অনেক প্রতিষ্ঠান হাজার হাজার টাকায় বিক্রি করে।)
প্রতিটি ক্লাস শেষে এসাইনমেন্ট জমা দেওয়া। (প্রতিটি এসাইনমেন্ট এর জন্য ১০ মার্ক)
প্রতিটি ক্লাসের লাইভ ক্লাসের পাশাপাশি প্রাকটিজ ফাইল পাবেন এবং কনটেন্ট পাবেন।
প্রতিটি ক্লাসের প্রথম ১৫ মিনিট আগের ক্লাসের সমস্যাগুলো সমাধান হবে, পরের ১ ঘন্টা মুল ক্লাস শেষ ১৫ মিনিট প্রশ্নোত্তর পর্ব
প্রতিটি ক্লাসের শেষে ১০ নাম্বারের মডেল টেস্ট। এই মডেল টেস্ট মার্ক এবং এসাইমেন্ট মার্ক ও নিয়মিত উপস্থিতির উপর ভিত্তি করেই পরবর্তীতে আপনার সার্টিফিকেট এর মান নির্ধারণ হবে।
কোর্স শেষে সার্টিফিকেট
লাইভ ক্লাস সমুহের ডিভিডি

   
   
January 14, 2019 | 3 months আগে

0 responses on "অ্যান্ডয়েড এ্যাপ ডেভলপমেন্টের পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন"

Leave a Message

Your email address will not be published.

Varify Certificate

top
eShikhon.com 2018. All Right Reserved