সারাদেশে ৩ থেকে ৫ মাসব্যাপী ফ্রিল্যান্সিং কোর্স প্রশিক্ষণ, বৃত্তি+চাকরির সুযোগ। মাত্র ১২,০০ থেকে ১৮,০০ টাকায় পাচ্ছেন ১২,০০০ থেকে ১৮,০০০ টাকার প্রতিটি কোর্স কুপনকোড: pro-offer  কিভাবে রেজিস্ট্রেশন করবেন দেখুন এখানে    আরো বিস্তারিত এখানে

ওয়েব ডেভলপমেন্ট-এর পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন

 ওয়েব ডেভলপমেন্ট কি?

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট হচ্ছে ওয়েবসাইটের জন্য এপ্লিকেশন তৈরী করা। যদি ফ্রিল্যান্সিং করেন তাহলে ক্লাইন্টের চাহিদা অনুযায়ী এমনও এপ্লিকেশন তৈরী করা লাগতে পারে যার অস্তিত্ব পৃথিবীতে নেই। এই বিষয়টি বেশি চ্যালেন্জিং এবং ডাইনামিক। অর্থ্যাৎ আপনাকে এপ্লিকেশন ডিজাইন করতে হবে। তাই ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কে আরও সুনির্দিষ্ট করে বলা যায় ওয়েব এপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট।


 ওয়েব ডিজাইন ও ডেভলপমেন্টের মধ্যে পার্থক্য:

ওয়েব ডিজাইন হলো আমরা কোনো ওয়েবসাইটের ব্রাউজ করার পর আমাদের ব্রাউজারে যা দেখতে পাই সেটাই মূলত ওয়েব ডিজাইন। আমরা মূলত কোনো ওয়েবসাইটের ডিজাইন পার্টটা দেখতে পাই, ডেভলপমেন্ট পার্টটা ওয়েবসাইটের ভিজিটররা দেখতে পায়না। উদাহারণস্বরুপ: আপনি প্রথম আলোর ওয়েবসাইটে ভিজিট করলেন এবং প্রথম আলোর নিউজফিডে অনেক ধরণের নিউজ দেখতে পেলেন এটাই হচ্ছে মূলত ওয়েবসাইটের ডিজাইন। দক্ষ ডিজাইনাররা অনেক ভালো ধরণের ওয়েব টেমপ্লেট ডিজাইন করতে পারেন। অন্যদিকে, ওয়েব ডেভলপমেন্ট হলো ওয়েবসাইটের জন্য ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন তৈরি করার একটা প্রসেস। ওয়েব ডেভলপার হতে হলে আপনাকে অবশ্যই ওয়েব ডিজাইন সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা থাকতে হবে।


 ওয়েব ডিজাইন শিখবেন নাকি ডেভলপমেন্ট?

এক কথায় বলব আপনি যদি ক্রিয়েটিভ হন, আপনার চয়েস গুলো যদি হাজার জনের চেয়ে সুন্দর হয় তাহলে আপনি ওয়েব ডিজাইনিং এ ভালো করতে পারবেন।  অন্যথায় ওই দিকে না যাওয়া ই ভালো। কেননা মার্কেটে একশ জন ডেভেলপার এর বিপরীতে একজন ডিজাইনার লাগে। তারমানে বুজতেই পারছেন ডিজাইনিং সেক্টর এ প্রতিযোগিতা অনেক বেশি। অন্যদিকে  ওয়েব ডেভেলপার হওয়ার জন্য অত বেশি ক্রিয়েটিভ হওয়া লাগেনা।


 স্টেটিক ওয়েবসাইট ও ডায়নামিক ওয়েবসাইটের মধ্যে পার্থক্য:

আমরা আমাদের ওয়েব সাইট বা সফটওয়্যার দুট ভাবে তৈরি করতে পারি। একটি হলো Static এবং অপরটি হলো Dynamic। আমাদের যেসব ওয়েব বা সফটওয়্যার পেইজের কোন কিছু সংযুক্ত, সম্পাদনা বা বাতিল করতে, মূল কোডে যাওয়া ছাড়া পরিবর্তন করা সম্ভব নয় সেগুলো হলো Static পেইজ। আর যেসব ওয়েব বা সফটওয়্যার পেইজর কোন কিছু সংযুক্ত, সম্পাদনা বা বাতিল করতে মূল কোডে যাওয়া ছাড়া পরিবর্তন করা সম্ভব সেগুলো হলো Dynamic পেইজ। যেমন Facebook এর কথাই ধরুন, আমরা চাইলে Facebook আমাদের Profile, যেকোন Post, Friend যোকোন সময় Add, Edit এবং Delete করতে পারছি। মূলত ওই ওয়েব সাইটটি Dynamic হওয়াতে আমাদের জন্য তা করা সম্ভব হয়েছে। তাই আমাদের কোন ওয়েব সাইট বা সফটওয়্যার তৈরির করার সময় সব কিছু Dynamic হচ্ছে কিনা সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।


 কিভাবে ওয়েবসাইট কাজ করে?

প্রথমে একজন ডিজাইনার ওয়েবসাইটির ডিজাইন করে । সাধারনত ফটোশপ দিয়ে ডিজাইটির একটি বাহ্যিক রূপ দেয় । কিন্তু ফটোশপে যেসব টেক্সট  ইমেজ ব্যবহার করা হয়  সেগুলোত আমরা যেই ব্রাউজার ব্যবহার করি যেমন  ফায়ারফক্স, গুগল ক্রোম ইত্যাদি বুঝতে পারবে না । এই ব্রাউজারগুলোকে বোঝানোর জন্য আলাদা কিছু ভাষা আছে যেমন – এইচটিএমএল, সিএসএস, জাভাস্ক্রীপ্ট ইত্যাদি । প্রথমে এইচটিএমএল দিয়ে ফটোশপে যে ডিজাইনটি করা হয় সেটি একটি কাঠামো তৈরি করা হয় । তারপর সিএসএস দিয়ে ফটোশপে যে ডিজাইন করা হয়েছে সেই রকম ডিজাইন করা হয় । জাভাস্ক্রীপট এবং জেকুয়েরি দিয়ে ডিজাইনে বিভিন্ন রকম এডভান্স ফিচার যেমন যোগ করা হয়। এরপর পিএইচপি মাইএসকউএল ইত্যাদি দিয়ে ওয়েব সাইটি ব্যবহার উপযোগী করা হয়  ।


 কিভাবে শিখবেন ওয়েব ডেভলপমেন্ট?

ওয়েব ডেভলপমেন্ট শিখার জন্য সর্বপ্রথমে আপনাকে প্রচুর পরিমাণে ধৈয্য ধরতে হবে। এর পরেই যেটার প্রয়োজন সেটা হলো পরিশ্রম করার মানষিকতা। ধৈয্য আর পরিশ্রম করার মানষিকতা নিয়ে ছয় মাস থেকে দুই বছরের মতো সময় লেগে থাকলে অবশ্যই আপনি সফলভাবে ওয়েব ডেভলপমেন্ট শিখতে পারবেন। আপনি কতদিনে শিখতে পারবেন এটা সম্পূর্ণরুপে আপনার পরিশ্রম এবং সময় দেওয়ার উপর নির্ভর করবে। আরেকটা  বিষয় না বললেই নয়। এখানে রাতারাতি বড়লোক হওয়ার মতো কোনো খেলা নাই। সময় নিয়ে, ধৈয্য ধরে আপনাকে এগিয়ে যেতে হবে, তবেই আপনি সফল হতে পারবেন। এবার আসি আয়ের ব্যপারে। আপনি ওয়েব ডেভলপমেন্ট করে প্রতিমাসে কেমন ইনকাম করবেন এটাও মূলত আপনার উপরেই নির্ভর করবে। বাংলাদেশের হিসেবে বাংলাদেশি টাকায় হিসেব করলে সর্বনিম্ন ৩০-৩৫ হাজার থেকে প্রতি মাসে কয়েক লক্ষ টাকা পর্যন্তও আয় করতে পারবেন। এর পিছনে কারণটা হলো সময় পরিবর্তনের সাথে সাথে মানুষ প্রচুর পরিমাণে ওয়েবসাইট তৈরি করতেছে। নিত্যদিনের প্রায় প্রতিটি কাজে ওয়েবসাইটের ব্যবহার অপরিহায্য হয়ে উঠতেছে। ফলে দিন দিন ওয়েব ডেভলপারদের চাহিদা দিন দিন ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের বেকারদের জন্য ওয়েব ডেভলপমেন্ট অনেক সম্ভাবনাময় খাত। কাজেই দেরি না করে আজ থেকেই শুরু করতে পারেন ওয়েব ডেভলপমেন্ট।


 কোথায় শিখবেন?

এখন অনলাইনে এত রিসোর্স  যে খুব সহজে একা একাই  আপনি শিখতে পারবেন, তবে সেটা আপনার জন্য অনেককাংশে দূরহ ব্যাপার হয়ে দাড়াবে। w3schools  যেখানে সব টিউটোরিয়াল রিসোর্স পাবেন।  আর টুলস্ পেজে পাবেন সব রকম  টুলস্ । অথবা বিভিন্ন প্রকার ট্রেনিং সেন্টার থেকেও শিখতে পারেন। একটা ব্যাপারে লক্ষ্য রাখবেন ।আমাদের দেশে এখন পযর্ন্ত  ভাল মানের ট্রেনিং সেন্টার আছে হাতে গোনা কয়েকটি। তার মধ্যে অন্যতম হলো ইশিখন। ইশিখনে কোর্স করলে আপনি যেসকল সুবিধাসমূহ পাবেন:

লাইভ ক্লাস মিস করলে পরের দিন কোর্সের ভেতর উক্ত ক্লাসের ভিডিও রেকর্ডিং ও আলোচিত ফাইল সমুহ পাবেন।
লাইভ ক্লাসের সম্পূর্ণ ফ্রি ভিডিও কোর্স, ( শুধুমাত্র এই ভিডিও কোর্সই অনেক প্রতিষ্ঠান হাজার হাজার টাকায় বিক্রি করে।)
প্রতিটি ক্লাস শেষে এসাইনমেন্ট জমা দেওয়া। (প্রতিটি এসাইনমেন্ট এর জন্য ১০ মার্ক)
প্রতিটি ক্লাসের লাইভ ক্লাসের পাশাপাশি প্রাকটিজ ফাইল পাবেন এবং কনটেন্ট পাবেন।
প্রতিটি ক্লাসের প্রথম ১৫ মিনিট আগের ক্লাসের সমস্যাগুলো সমাধান হবে, পরের ১ ঘন্টা মুল ক্লাস শেষ ১৫ মিনিট প্রশ্নোত্তর পর্ব
প্রতিটি ক্লাসের শেষে ১০ নাম্বারের মডেল টেস্ট। এই মডেল টেস্ট মার্ক এবং এসাইমেন্ট মার্ক ও নিয়মিত উপস্থিতির উপর ভিত্তি করেই পরবর্তীতে আপনার সার্টিফিকেট এর মান নির্ধারণ হবে।
কোর্স শেষে সার্টিফিকেট
লাইভ ক্লাস সমুহের ডিভিডি

 


কোর্স শেষে আয়ের ক্ষেত্রসমুহ:

আপওয়ার্ক , ফাইভর

এনভাটো মার্কেকে টেমপ্লেট বিক্রি।

ওয়েব ডেভেলপার হিসেবে যেকোন আইটি কম্পানিতে চাকরি

আপওয়ার্ক ও ফাইবারে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট সর্ম্পকিত কাজ

আরো পড়ুন:

  1. এফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন

   
   

0 responses on "ওয়েব ডেভলপমেন্ট-এর পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন"

Leave a Message

Your email address will not be published.

© eShikhon.com 2015-2019. All Right Reserved